নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত এন্টিভেনম পাওয়া যাচ্ছে
MD. MAHDI HASAN
প্রকাশ: 29 Jul 2026, 05:04 PM
96 views
1 min read
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় এন্টিভেনম পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে ৫০ জন রোগীর চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ এন্টিভেনম মজুত রয়েছে।
নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইফতেখার আজাদ এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ৫০ জন সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় এন্টিভেনম মজুত রয়েছে। এ ছাড়া আরও ৫০ জন রোগীর জন্য এন্টিভেনম চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদা দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, সাপে কাটা কোনো রোগীকে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসতে হবে। সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছালে চিকিৎসকেরা রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে পারবেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এন্টিভেনম থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় নগরকান্দা উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে গ্রামাঞ্চলে সাপের উপদ্রব ও সাপে কাটার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ কারণে পর্যাপ্ত এন্টিভেনম মজুত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমান মজুতের পাশাপাশি অতিরিক্ত এন্টিভেনম সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত না হয়।
নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইফতেখার আজাদ এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ৫০ জন সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় এন্টিভেনম মজুত রয়েছে। এ ছাড়া আরও ৫০ জন রোগীর জন্য এন্টিভেনম চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদা দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, সাপে কাটা কোনো রোগীকে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসতে হবে। সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছালে চিকিৎসকেরা রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে পারবেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এন্টিভেনম থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় নগরকান্দা উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে গ্রামাঞ্চলে সাপের উপদ্রব ও সাপে কাটার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ কারণে পর্যাপ্ত এন্টিভেনম মজুত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বর্তমান মজুতের পাশাপাশি অতিরিক্ত এন্টিভেনম সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত না হয়।